☀️ সোলার প্যানেল সূর্যের আলো থেকে ডিসি বিদ্যুৎ তৈরি করে।

→ ⚡ ইনভার্টার তা এসি বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে।

→ 🏠 যা ফ্যাক্টরির বা মার্কেটের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ চালায় ।

→ 🔄 অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি হয়, যা প্রয়োজনে পরবর্তীতে জাতীয় গ্রিড থেকে ফ্রিতে ব্যাবহারযোগ্য।

👉 দিনে সোলার, রাতে বা প্রয়োজনে গ্রিড থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুতে চলে।

👉মাস শেষে গ্রিডে প্রদানকৃত বিদ্যুৎ ও গ্রিড থেকে গ্রিহীত বিদ্যুৎ সমান হলে বিদ্যুৎ বিল শূন্য হয়।

খরচের ধারনা

ধরা যাক, ফ্যাক্টরি/কারখানার মাসিক বিদ্যুৎ বিল = ১,০০,০০০ টাকা


➤ বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি দাম = ১০ টাকা

➤ তাহলে মাসিক ব্যবহার:
১,০০,০০০ ÷ ১০ = ১০,০০০ ইউনিট বিদ্যুৎ

➤ দিনে প্রয়োজন:
১০,০০০ ÷ ৩০ ≈ ৩৩৪ ইউনিট/দিন

এখন – এই ৩৩৪ ইউনিট/দিন যদি সোলার থেকে পাওয়া যায়, তাহলে পুরো বিল শূন্য হয়ে যাবে (ডিমান্ড চার্জ, ট্যাক্স ইত্যাদি ছাড়া)।

(নেট মিটারিং – প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে বিক্রির মাধ্যমে)

একটি ১ কিলোওয়াট (KW) সোলার সিস্টেম দিনে গড়ে ৩.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ দিতে পারে।
➤ ৩৩৪ ইউনিট পেতে লাগবে:
৩৩৪ ÷.৩.৫ = ৯৫ KW  সোলার সিস্টেম

প্রতি KW ইনস্টল খরচ ≈ ৩৫,০০০ টাকা হলে (প্রকল্পভেদে ভিন্ন হতে পারে)
➤ ৯৫ KW × ৩৫,০০০ টাকা = ৩৩,৪০০০০ টাকা

অর্থাৎ, ৩৩ মাসের বিদ্যুৎ বিল (১,০০,০০০ × ৩৩ মাস = ৩৩ লাখ) একবারে ইনভেস্ট করলে

➤ পরবর্তী ২৫+ বছর আপনি প্রায় ফ্রি বিদ্যুৎ পাচ্ছেন!

(* বানিজ্যিক সংযোগে এই বিদ্যুতের রেট ১১ টাকা – ১৩.৭৬ টাকা প্রতি ইউনিট*)
তাই মার্কেট, অফিস, দোকান এর বেলায় এই সময় টা ২.৫ বছরের চেয়েও কম হওয়াটা স্বাভাবিক।

আরো বিস্তারিতে জানুন

OPEX Model Financing and Investment

COST CALCULATOR

BLOG POSTS+